গতকাল রাতে “থার্টি ফাস্ট” এর নামে কি অশ্লীলতা ঘটল সারাদেশে ভিডিও দেখলে লজ্জা পাবেন।

0

গতকাল রাতে “থার্টি ফাস্ট” এর নামে কি অশ্লীলতা ঘটল সারাদেশে ভিডিও দেখলে লজ্জা পাবেন।

ভিডিওটি দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন

গতকাল রাতে “থার্টি ফাস্ট” এর নামে কি অশ্লীলতা ঘটল সারাদেশে ভিডিও দেখলে লজ্জা পাবেন।গতকাল রাতে “থার্টি ফাস্ট” এর নামে কি অশ্লীলতা ঘটল সারাদেশে ভিডিও দেখলে লজ্জা পাবেন।গতকাল রাতে “থার্টি ফাস্ট” এর নামে কি অশ্লীলতা ঘটল সারাদেশে ভিডিও দেখলে লজ্জা পাবেন।গতকাল রাতে “থার্টি ফাস্ট” এর নামে কি অশ্লীলতা ঘটল সারাদেশে ভিডিও দেখলে লজ্জা পাবেন।গতকাল রাতে “থার্টি ফাস্ট” এর নামে কি অশ্লীলতা ঘটল সারাদেশে ভিডিও দেখলে লজ্জা পাবেন।গতকাল রাতে “থার্টি ফাস্ট” এর নামে কি অশ্লীলতা ঘটল সারাদেশে ভিডিও দেখলে লজ্জা পাবেন।

ভিডিওটি দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন

মাদ্রাসা সুপারের হাতেই আবাসিক হলে থাকা ২০ মাদ্রাসাছাত্রী যৌন নিপীড়নের শিকার!

 

যৌন নিপীড়ন আর বিকৃতির সব সীমা অতিক্রম করে ভয়াবহ নোংরামির এক ইতিহাসের সাক্ষী হলো ভারতের লখনৌ প্রদেশের একটি মাদ্রাসা। সেখানকার একটি আবাসিক মাদ্রাসায় ১২৬ জন ছাত্রীর মধ্যে কমপক্ষে ২০ জন ছাত্রী দিনের পর দিন বিভিন্ন কায়দায় যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন একজন মাদ্রাসা সুপারের হাতেই। এদের মধ্যে আবাসিক হলে থাকা কয়েকজন নিয়মিত ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ঐ মাদ্রাসা সুপাররে কাছে বলেও অভিযোগ উঠেছে ।

এতকিছুর পরেও ভয়ে কেও এতদিন মুখ খোলেননি মাদ্রাসা ভেতর তথাকথিত ‘অনুশাসনের কারনে’ । পুলিশের কাছে উদ্ধার হওয়া মাদ্রাসা ছাত্রীরা জানিয়েছে, সুপারের সাথে যৌন সম্পর্কে রাজি না হলেই মারধর করা হতো তাদের।

গতকাল শুক্রবার সন্ধায় মাদ্রাসাটিতে মেয়েদের জন্য দ্বিতল আবাসিক ভবনের একটি জানালা দিয়ে উড়ে আসা কাগজের টুকরো এসে পড়ে পরে এক পথচারীর গায়ে। কাগজের মোড়ক খুলে স্তম্ভিত হয়ে যান পথচারী! ভিতরে লেখা ছিল— ‘আমাদের বাঁচান’। একমুহুর্ত ভেবে তিনি খবর দিয়েছিলেন মাদ্রাসার মালিককে। তারপর তিনি যোগাযোগ করেন পুলিশের সঙ্গে।এরপরই পুলিশের হানায় মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার হয় ৫১ জন ছাত্রী ।

বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য ।
ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদসুত্রে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে প্রশাসন ও পুলিশের একটি যৌথ বাহিনী হানা দেয় ওই মাদ্রাসায়। উদ্ধার করা হয়েছে ৫১ জন নাবালিকাকে। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উত্তর প্রদেশের রাজধানী লক্ষ্ণৌয়ের পুরোনো শহরের সাদতগঞ্জের ইয়াসিনগঞ্জ এলাকার জামিয়া খাদিজাতুল লিলানওয়াত মাদ্রাসার হোস্টেল সুপার কাজী মোহাম্মদ তৈয়ব জিয়াকে। তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অত্যাচার, যৌন হেনস্থা, ধর্ষণের চেষ্টার মতো অভিযোগ জানিয়েছে ছাত্রীরা।

উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল, তাছাড়া অন্যান্য রাজ্য থেকেও ওই মাদ্রাসায় ভর্তি হতে আসত ছাত্রীরা। মোট ছাত্রীসংখ্যা ছিল ১২৬। তার মধ্যে শুক্রবার ওই সময়ে মাদ্রাসায় ৫১ জন ছাত্রী ছিল।

এসএসপি দীপক কুমারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বড় দল মাদ্রাসায় হানা দিলে হইচই পড়ে যায়। পালাতে পারেনি কাজী। তাকে ধরে ফেলে পুলিশ।

প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসার ভিতরে যে এই কাজ চলছে, তার কিছুই জানতেন না বলে দাবি করেছেন মাদ্রাসা মালিক। তিনি ওই মাদ্রাসা থেকে বেশ কিছুটা দূরে অন্যত্র থাকতেন।

পুলিশ কর্মকর্তা দীপক কুমার বলেন, ‘গোমতী নগরের বাসিন্দা ১৫ বছরের এক কিশোরী লিখিত অভিযোগে জানিয়েছে, তাদের ওপর যৌন হেনস্থা করত ওই কাজী। আরও ৭ ছাত্রীকে নিয়মিত ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছে সে।’

উদ্ধার হওয়া আর এক ছাত্রী জানিয়েছে, কাজীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে রাজি না হলেই মারধর করা হতো তাদের। উদ্ধার হওয়া ছাত্রীদের আপাতত হোমে পাঠানো হয়েছে।

Share.