এবার পর্ণ জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করলেন বিখ্যাত পর্ণস্টার কেইডেন ক্রস দেখলেই মাথা ঘুরে যাবে (ভিডিওসহ)

0

এবার পর্ণ জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করলেন বিখ্যাত পর্ণস্টার কেইডেন ক্রস দেখলেই মাথা ঘুরে যাবে (ভিডিওসহ)

এশিয়া মহাদেশ থেকে পর্নের দুনিয়ায় ঢু মারার বিষয়টি নজর কাড়ারমতো। গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে পর্ন জগত নিয়ে প্রায় অনেকেরই আগ্রহ রয়েছে। সামনে থেকে যতোই সমালোচনা করুক পর্দার আড়ালে অনেকেই নিরব।

তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেটের ব্যবহার হচ্ছে নানা ভাবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইন্টারনেটে কাটিয়ে দিচ্ছেন অনেকেই। ব্যবহারকারীরা পর্ন তারকাকে হরদম সার্চ করেছেন ইন্টারনেটে।

পর্ন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আলোড়ন ফেলেছেন এমন শীর্ষ ১০ তারকাকে নিয়ে এই আয়োজন। পর্ন তারকাদের সার্চের তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন লেবাননে জন্মগ্রহণকারী মিয়া খলিফা। বিশ্বের জনপ্রিয় পর্নস্টারদের তালিকায় সবাইকে পেছনে ফেলে মিয়া-ই বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বরে রয়েছেন। ভারতীয় সিনেমার বর্তমান তারকা সানি লিওনের ঠাঁই হয়েছে টপ-১০ সার্চের তালিকায়। নিচে দেখুন শীর্ষ ১০ তারকার পরিচিতি।

বিশ্বের ১০ আবেদনময়ী পর্ন তারকা

১. মিয়া খলিফা:

২০১৪ সালে পর্ন জগতে আসা মিয়া খলিয়া ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বিশ্বের এক নম্বর পর্ন তারকার স্থানটি দখল করে নেয়। ২২ বছর বয়সী মিয়া খালিফা পর্নহাব সাইটের সবচাইতে বেশী জনপ্রিয় পর্ন তারকা। বর্তমানে সে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বসবাস করে।

২. লিসা আন:

বিশ্বের সেরা যতো পর্ন তারকা তাদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানটি দখলে আছে লিসা আনের। ১৯৯৪ তে লিসা আন জনপ্রিয় পর্ন তারকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৯৭ সালে এইডস ঝুকির কারণে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ বন্ধ করে দেয় লিসা আন। ১০ বছর পর ২০০৬ এ সে আবার ফিরে আসে এ জগতে। ২০১০ সালে আবারো সে পর্ন অ্যাওয়ার্ডের স্বীকৃতি পায়।

৩. ম্যাদিসন আইভি:

নাচে দক্ষতার মাধ্যমে পর্ন জগতে পা রাখে ম্যাদিসন আইভি। এই পর্ন তারকা মুলত জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করে। পর্ন জগতে তার পথ চলা শুরু হয় টেক্সাস থেকে।

৪. আসা আকির:

 

খুব অল্প বয়সে পর্ন জগতে আসা আসা আকির এর নামের শেষ অংশটি মুলত ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া আকিরা সিনেমা থেকে নেওয়া। এখন পর্যন্ত তালিকা ভুক্ত ১০০ জন পর্ন তারকার মধ্যে আকিরার অবস্থান চার নম্বরে। এশিয়ার টপ ৫০ জন পর্ন তারকার মধ্যে তার অবস্থান এখন পর্যন্ত ৬ নম্বরে। পর্নগ্রাফিতে অভিনয়ের জন্য আকিরা এ পর্যন্ত অনেক গুলো পুরস্কার পেয়েছেন।

৫. কিম কারদাসিয়ান: 

কিম কারদাসিয়ান লস এঞ্জেলসের ৫তম পর্ন তারকা। ২০০৩ সালে কিম তার বয়ফ্রেন্ড রে-এর সাথে কারদাসিয়ান নামে একটি সেক্স টেপ তৈরি করে। যা ২০০৭ সালে প্রকাশ হয়ে পড়ে। বর্তমানে তার আয় ছয় মিলিয়ন ডলার।

৬. ব্রান্ডী লাভ:

ইন্দো-কানাডিয়ান পর্ন তারকা সানি লিওনের পুরো নাম কারেঞ্জিত কাওর ভোরা। ২০১০ সালে টপ পর্ন স্টারের তালিকায় উঠে আসা সানি লিওন ছিল গুগলের সেরা তালিকায়। যাকে নিয়ে সবচাইতে বেশি সার্চ হয়েছে গুগলে। জেনেসিস ম্যাগাজিনের ১০০ জন পর্ন স্টারের তালিকায় সানি লিওন সেরা ১৩ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছিল। বর্তমানে তিনি বলিউডের সেক্সি অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত।

৯. সাসা গ্রে:

 

একই সাথে একজন সঙ্গীত শিল্পী, মডেল এবং জনপ্রিয় পর্ন তারকা। ২০০৬ সালে তাকে পর্ন জগতে প্রথম দেখা যায়। লস এঞ্জেলসে যখন তিনি পর্ন জগতে পা রাখেন তখন তার বয়স সবেমাত্র ১৮ বছর। ২০০৭ সালে ‘বেস্ট থ্রি ওয়ে সেক্স সিন’ এর জন্য সাসা গ্রেকে পুরস্কৃত করা হয়।

১০. আলেক্সিস টেক্সাস:

 

পর্ণ ছবি দেখলেই মাথায় ঘোরে পর্ণ দুনিয়ার তারকাদের জীবনযাপনের কথা। কৌতূহল জাগে কেন আর কিভাবে তাঁরা এই পেশায় এলেন? কেনই বা বেছে নিলেন এই ধরণের পেশাকে? শুধুই কিই রুজির টান? না কি অন্য কোনও কারণ?

মহিলা পর্ণ তারকাদের নিয়ে যে প্রশ্নটি সব থেকে বেশি বার পর্ণ দর্শকদের মনকে নাড়া দেয় তা হল প্রথম কবে ‘ভার্জিনিটি’ হারিয়েছিলেন প্রিয় পর্ণ স্টার?

এই শহরে মানুষ খোলা আকাশের নিচেই যৌন সম্পর্ক করতে বেশি ভালোবাসেন

এই বিষয়ে সম্প্রতি সমীক্ষা চালিয়েছিল একটি মার্কিনি সংস্থা। ১৭৭ জন পর্ণ তারকাকে নিয়ে করা সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে কৈশোরের শেষ এবং যৌবনের প্রারম্ভেই নিজেদের সতীত্ব খুইয়েছেন ৬৩শতাংশ পর্ণ জগতের মহিলা। ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সীরা রয়েছেন এই তালিকায়। শতকরা ২২জন তাঁদের বয়স ১৬-র চৌকাঠ না পেরোতেই হারিয়েছিলেন নিজের ‘ভার্জিনিটি’। ৩০ বছর বয়সের পর যৌনতার চরম সীমায় গিয়েছেন মাত্র দুই শতাংশ মহিলা। আর ২৬ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে এই হারটি চার শতাংশ। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতি ১০০জনের নয় জন জানিয়েছেন যে তাঁরা এখন “ভার্জিন” আছেন।

Share.