যে কারনে পর্ণ তারকাদের মধ্যে সবসময় নাম্বার ওয়ান থাকেন মিয়া খালিফা ? বিস্তারিত

0

যে কারনে পর্ণ তারকাদের মধ্যে সবসময় নাম্বার ওয়ান থাকেন কেন মিয়া খালিফা ?

স্টাফ রিপোর্টার : খবরটি পড়ার পর অনেকেই হয়তো ছি ছি করবেন। কিন্তু যাবতীয় সমালোচনাকে দূরে রেখে আপাদমস্তক পুরুষতান্ত্রিক মধ্যপ্রাচ্যে নানা রক্ষণশীল প্রথায় জর্জরিত মহিলা সমাজের কাছে এই ঘটনা অবাক করার মতই। যে দেশে আইএস-র মতো জঙ্গি গোষ্ঠীর নেতারা মহিলাদের বাজার বসাতেও পিছ পা হন না। সে দেশের মেয়ে পর্ণ ইন্ডাস্ট্রিতে আলোড়ন ছড়িয়ে দিয়েছে। এমনকি তার কাজের প্রতি নিন্দাকারীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বেড়ান।

আর এএ বিদ্রোহী মেয়েটির নাম মিয়া খলিফা। বর্তমান পর্ন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন লেবাননের এই যুবতী। তরকাদের তালিকায় নাম্বার একে রয়েছে।

একটি জনপ্রিয় পর্ন ওয়েবসাইটের বিচারে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্নস্টারের শিরোপা জিতে নিয়েছেন বছর একুশের যুবতী মিয়া খলিফা। বিশ্বের জনপ্রিয় পর্নস্টারদের পিছনে ফেলে মিয়া-ই বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর। ওই পর্ন সাইটের বিচারে এর আগে এক নম্বরে ছিলেন লিজা অ্যান। সম্প্রতি তিনি অবসর নেওয়ায় জনপ্রিয়তায় কয়েক যোজন এগিয়ে গিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের যুবতী মিয়া খলিফা। তাও মাত্র তিন মাসের আগমনেই।

‘দস্যি মেয়ে’ এখানেই থেমে থাকেননি। সম্প্রতি মিয়া ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে নিজের একটি ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে মিয়ার হাতে আরবি ভাষায় লেখা লেবাননের জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম লাইন।

স্বাভাবিক ভাবেই মিয়ার উন্নতিতে রে রে পড়ে গিয়েছে লেবানন-সহ গোটা মধ্যপ্রাচ্যে। সমালোচনা তো চলছেই একই সঙ্গে মিয়াকে প্রাণে মারার হুমকি দিতেও শুরু করে দিয়েছে বেশ কয়েকটি মৌলবাদী সংগঠন। বর্তমানে মিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় থাকেন। মিয়ার তীব্র নিন্দায় সরব হয়েছে আরব-সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি। যদিও হুমকি ফোন, সমালোচনা– সব কিছুকেই কার্যত উড়িয়েই দিয়েছেন ওই যুবতী।

নিন্দার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মৌলবাদীদেরই একহাত নিয়েছেন মিয়া। টুইটারে লিখেছেন, ‘আমাকে ছাড়া কি মধ্যপ্রাচ্যে আর কোনও গুরুতর সমস্যা নেই? দেশের একটা প্রেসিডেন্ট খুঁজে পাওয়া গেল? আইএস জঙ্গিদের বিষয়ে কী ভাবছে মধ্যপ্রাচ্য?’

ব্যাপারটা মোটেও অস্বাভাবিক নয়, একজন আরব দেশের পর্ন স্টার হয়ে ইসলামকে অপমান করবেন তাও পর্ন ভিডিওতে, এর মানে হচ্ছে আপনি আজরাইল কে মিস্কল দিচ্ছেন। সে যাই হোক, পরবর্তীতে ওয়াশিংটন পোষ্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ব্যাপারটাকে স্যাটায়ার হিসেবে নিয়েছেন তিনি, এবং ব্যাপারটা এভাবেই দেখা উচিত!

খলিফা বলেন, এককালে লেবানীজ জাতি নিজেদের মধ্যপ্রাচ্যের সর্বাধুনিক বলে গর্ব করত, তারা পাশ্চাত্য রীতিনীতি এতটাই অনুকরণ করত যে তারা নিজেদের নিয়ে গর্বিত ছিল, আজ তারা আদিম রীতিতে বিশ্বাসিত হয়ে শোষিত হয়ে গেছে। তারা ভুলে গেছে নারী অধিকার!

Share.