মিয়া খলিফার নতুন যে ভিডিওটি ইউটিউবে ভাইরাল! (ভিডিও সহ)

0

বিনােদন ডেস্ক:
গ্রেপভাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হাউজ অব বিগ বস এর নবম মৌসুমে দেখা যাবে বিশ্বের জনপ্রিয় পর্ন তারকা মিয়া খলিফাকে। বিগ বস এ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এই লেবানিজ-আমেরিকান পর্নস্টারকে। গুজব রয়েছে যে, আসতে রাজি আছেন তিনি। এই সময় এই বিগ বসে এসেই মুম্বাইয়ে নিজের আসন পাকা করেন আরেক পর্ন তারকা সানি লিওন। অবশ্য তাকে সাবেক পর্ন তারকা বলা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ভারতের বিশাল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পর্ন তারকাদের আনাগোনার বেশ সুযোগ সৃষ্টি করছে বিগ বস। এখানে জেনে নিন এই মুহূর্তের তুমুল জনপ্রিয় মিয়া খলিফা সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য।

১. মিয়া ক্যালিস্টা নামেও পরিচিত তিনি। অবশ্য পর্ন সিনেমায় নামটি বড়ই বেমানান। লেবানন বংশোদ্ভুত ২২ বছর বয়সী এই তরুণী মাত্র ৭ বছর বয়সে আমেরিকা পাড়ি জমান।

২. ইতিহাসে গ্র্যাজুয়েশন করে একটি ফাস্ট ফুড রেস্টুরেন্টে কাজ করছিলেন মিয়া। পরে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে একটি চাকরির আবেদন করেন। মুসলমান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেন। এই পথে ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই তার।

৩. মিয়া জানান, ২০১৫ সালের প্রথম দিকে একটি বিতর্কিত ভিডিও প্রকাশ করেই সবার চেনা হয়ে যান তিনি। ওই ভিডিওর মাধ্যমেই পর্নহাবে সার্চ করা পর্ন তারকার শীর্ষে চলে আসেন তিনি। লেবানন ও অন্যান্য মুসলিম অধ্যুষিত দেশে তাকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে জীবননাশের হুমকিও দেওয়া হয় তাকে।

৪. ওই ভিডিওর কল্যাণে অনলাইনে তাকে সার্চের হার ৫ গুণ বেড়ে যায়। এই সার্চের এক-পঞ্চমাংশ সম্পন্ন হয় লেবানন, সিরিয়া ও জর্ডান থেকে। লেবানিজ জাতীয় সংগীতের প্রথম লাইন নিয়ে একটি ট্যাটু আঁকানোর কারণেও সমালোচিত হন মিয়া।

৫. ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তার সমর্থনে ‘মিয়া খলিফা’ শিরোনামে একটি গান বের করে ইলেক্ট্রো-প ডুয়ো টাইমফ্লাইস। এখন তিনি স্বামী ও দুটো কুকুর নিয়ে মিয়ামিতে বাস করেন।

৬. ‘ব্যাটম্যান’ পর্ন সংস্করণেও নায়িকার চরিত্রে দেখা গেছে মিয়াকে।
সূত্র : ম্যানসওয়ার্ল্ড ইন্ডিয়া

সানি লিওনকে অশ্লীল ম্যাসেজ

বিনোদন ডেস্ক : ফোনে‌ নোংরা ম্যাসেজ পেয়েছিলেন সানি লিওন। আর কেউ নয়, সেই ম্যাসেজ সানিকে পাঠিয়েছিলেন তারই গাড়ির চালক। তবে এই ঘটনা নাকি ভুল করেই করে ঘটিয়ে ফেলেছিলেন সেই চালক। এমনটাই জানালেন সানি লিওন নিজেই।

এই প্রসঙ্গে সানি বলেন, ‘‌পরে গাড়ির চালক অত্যন্ত লজ্জিত হয়ে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলেন।’ তবে মেসেজে কী লেখা ছিল সেটা জানাননি সানি।

তিনি বলেছেন, ‘‌অনেকেই ঘনিষ্ঠ মহলে বা বন্ধুদের মধ্যে আদিরসাত্মক কথা এবং ম্যাসেজ আদান প্রদান করে থাকেন। আমি এটাকে দোষণীয় বলে মনে করি না, যতক্ষণ না এই ধরনের রসিকতা কাউকে ব্যক্তি আক্রমণ করে বা বিব্রত করার জন্য করা হয়। স্মার্টফোনের যুগে আমরা সকলেই জানি, কী ধরনের ছবি, ভিডিও বা চুটকি চালাচালি হয়। কেউ ভুল করে কাউকে ফরওয়ার্ড করে ফেলতেই পারেন।’‌

পর্তুগালের গবেষক অ্যাডাম হালমানের সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, যে সমস্ত মহিলা বেশী খেতে ভালোবাসেন আর যাদের শরীর বেশী স্থুলকায় তারা স্বামীর ডায়াবেটিস বাধাতে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

তবে স্ত্রী’র ডায়াবেটিস বাধাতে স্বামীর মোটা হওয়া বা না হওয়াতে তেমন কোনো প্রভাব পড়ে না বলেই গবষেণায় প্রমানিত হয়েছে। আর এর কারণ হিসেবে পাওয়া যায় যে, যে সমস্ত পুরুষ বেশী খেতে পছন্দ করেন বা যাদের খাবারের প্রতি বাড়তি আকর্ষণ রয়েছে তারাও বেশীরভাগ সময় স্ত্রীদেরকে স্লিম দেখতেই পছন্দ করেন।

গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণে আরও দেখা যায় যে, মাঝবয়সী মহিলাদের মধ্যে যারা খুব মোটা হয়ে থাকে, তারাই অল্প বয়সী স্ত্রীদের থেকে স্বামীর ডায়াবেটিস বাধাতে বেশী ভূমিকা রাখেন। এছাড়া স্লিম বা হালকা গড়নের মহিলাদের স্বামীরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন অনেক কম পরিমানে।

এসবের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে পাওয়া গেছে যে, যে সমস্ত মহিলা মোটা, তারা তাদের স্বামীদের চেহারার গড়ণ নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না। বরং তারা কোনো না কোনোভাবে স্বামীদের বাড়তি খেতেই বরং উৎসাহিত করেন। তাছাড়া রান্নাবান্নার বিষয়টি বেশীরভাগ ক্ষেত্রে নারীদের নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে তাদের পছন্দের খাবার দাবারগুলো দ্বারাই তাদের স্বামীরা প্রভাবিত হয়ে থাকেন। আর এভাবে খাদ্যাভাসের কারণে তাদের ডায়াবেটিসের প্রবণতা বেড়ে যায়।

গবেষণায় পাওয়া যায়, খাদ্যাভাস আর ব্যয়াম করার প্রবণতার উপর পুরুষদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়া না হওয়ার বিষয়টি অনেকখানি নির্ভর করে। আর এ বিষয় দুটিতে স্ত্রীদের উপর পুরুষদের প্রভাব সামান্য। কিন্তু স্বামীদের উপর স্ত্রীদের প্রভাব বেশ ব্যাপক। কাজেই পুরুষের স্বাস্থ্যও নির্ভর করে স্ত্রীদের তৎপরতার উপর। তাছাড়া মোটা স্ত্রীরা অনেক সময় স্বামীদের চেহারা নিজেদের সংঙ্গে মানানসই করার জন্যও অনেকটা সচেতন থাকেন। সেক্ষেত্রে তারা ইচ্ছে করেই স্বামীদের খাওয়ার প্রতি বেশী যত্নশীল হন।

গবেষণা প্রকল্পের প্রধান গবেষক আরহুস ইউনিভার্সিটির অ্যাডাম হালমান জানান, ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর পরষ্পরের উপর প্রভাব বিষয়ে বিশ্বে এটাই প্রথম গবেষণা। ইউরোপিয়ান এসোসিয়েশন ফর স্টাডি অব ডায়াবেটিস ইন পর্তুগালের বার্ষিক আলোচনা সভায় এই গবেষণায় তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

Share.