বাসের মধ্যে আপনার সাথে এমনটা হয়েছে কখনো?- ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন

0

প্রয়োজনে সবারই বাসে যাতায়াত করতে হয়। বাসে যাতায়াতের সময় অনেকেই নানা রকম ঝামেলার স্বীকার হন। আর মেয়েরা সবথেকে বেশি ভুক্তভুগি হয়।

আজকে এমনই এক ভিডিও আপনাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিওটি পোস্টের নিচে দেয়া আছে। সরাসরি ভিডিওটি দেখতে স্ক্রর করে নিচে চলে যান।

অন্যরা যা পড়ছেঃ যৌনতৃপ্তি পেতে বয়ফ্রেন্ডের পুরুষাঙ্গ কেটে ঘরে ঝুলিয়ে দিল যুবতী, হতবাক পুরো পুলিশ!

প্রত্যেক মানুষের জীবনেই যৌন চাহিদা, যৌন তৃপ্তির সংজ্ঞা আলাদা। ইএল জেমসের জনপ্রিয় বই ‘ফিফটি শেডস অফ গ্রে’-তে যে যৌনতার কথা তুলে ধরা হয়েছিল, তা সচরাচর সকলের ক্ষেত্রে শোনা যায় না। যৌনতায় মত্ত হয়ে হিংস্র পাশবিক ইচ্ছাপূরণে লিপ্ত হন এই সমাজেরই কিছু কাপল। কেউ সে পাশবিক অত্যাচারে আনন্দ উপভোগ করেন, তো কখনও সেই বিডিএসএম সেক্সের তৃপ্তির সীমা পার হয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এমনকী ডেকে নিয়ে আসে মৃত্যুও। সম্প্রতি সামনে এল এমনই এক ঘটনা।

২১ বছরের রাশিয়ান পড়ুয়া অ্যানাস্টাসিয়া ওয়ানজিনা এমনই বিডিএসএম যৌনতায় আসক্ত। কিন্তু তার যৌন চাহিদা এমনই ভয়ংকর ও পাশবিক রূপ ধারণ করেছিল, যে তাতে প্রাণ গেল তার পার্টনারের। বান্ধবীর মিলনের নেশা এতই গাঢ় ও হিংস্র হয়ে উঠেছিল, যে নিজেকে তাঁর হাত থেকে রক্ষা করতে পারলেন না ২৪ বছরের মিট্রি সিনকেভিচ।

তিনি নিজে ছিলেন একজন পুলিশকর্মী। কিন্তু গার্লফ্রেন্ডের পাতানো যৌনজাল থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেন না। বিডিএসএম যৌনতায় লিপ্ত হয়েই মিট্রির প্রাণ নেয় অ্যানাস্টাসিয়া বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, পৈশাচিক আনন্দ পেতে প্রথমে বয়ফ্রেন্ডের মুণ্ডচ্ছেদ করে সে। তারপর কাটে যৌনাঙ্গ এবং দেহের বিভিন্ন অংশের মাংস। হাত-পা আঙুলগুলিও কেটে ফেলে। তারপর সেগুলি থেকে চামড়া ছিঁড়তে থাকে। এখানেই শেষ নয়, মিট্রির দেহের টুকরোগুলির কিছু ডাস্টবিনে ফেলে দেয়, কিছু ফ্রিজে ভরে রাখে আর বাকি টুকরোগুলি ঘরে টাঙিয়ে রাখে।

ঠিক যেভাবে মাংসের দোকানে মাংস টাঙানো থাকে। ঠিক এই সময়ই অ্যানাস্টাসিয়ার বোন ফোন করে জানতে চান সে কী করছে। নির্বিকারভাবেই তাঁর দিদি বলে, বয়ফ্রেন্ডের দেহ টুকরো করছে সে। আতঙ্কিত হয়ে তখনই পুলিশকে খবর দেয় অ্যানাস্টাসিয়ার বোন।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে ওই যুবককে। অভিযুক্ত যুবতীর মতো মিট্রিও এমন বিকৃত যৌনাকাঙ্খায় আসক্ত ছিলেন বলেও জানাচ্ছে পুলিশ। অ্যানাস্টাসিয়ার ফ্ল্যাটের হাল দেখে রীতিমতো আঁতকে ওঠেন প্রতিবেশীরাও। জানা গিয়েছে, আগেই অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল অ্যানাস্টাসিয়ার। তাঁর মৃত্যুর পর মানসিক ভারসাম্যতা হারিয়ে প্রায় দেড় বছর সংশোধনাগারে ভরতি ছিল সে। তবে প্রথমে অ্যানাস্টাসিয়া খুনের কথা স্বীকার করতে চায়নি। কিন্তু পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে পরে সবটা স্বীকার করে নেয়। এমন হাড়হিম করা ঘটনাকে কোনও সিনেমার চিত্রনাট্যের সঙ্গেও যেন তুলনা করা যায় না।

Share.