সেই ছোট্ট দিঘীকে দেখলে আপনি ক্রাশ খেয়ে যাবেন! (ভিডিওসহ)

0

সেই ছোট্ট দিঘীকে দেখলে আপনি ক্রাশ খেয়ে যাবেন! সেই ছোট্ট দিঘীকে দেখলে আপনি ক্রাশ খেয়ে যাবেন! সেই ছোট্ট দিঘীকে দেখলে আপনি ক্রাশ খেয়ে যাবেন! সেই ছোট্ট দিঘীকে দেখলে আপনি ক্রাশ খেয়ে যাবেন! সেই ছোট্ট দিঘীকে দেখলে আপনি ক্রাশ খেয়ে যাবেন! সেই ছোট্ট দিঘীকে দেখলে আপনি ক্রাশ খেয়ে যাবেন! সেই ছোট্ট দিঘীকে দেখলে আপনি ক্রাশ খেয়ে যাবেন

হিল্লা বিয়ে কি আইনে বৈধ

ভুলক্রমে তিন তালাক উচ্চারণ করলে ইসলাম ধর্মাবলম্বী একাংশের বিশ্বাস- তাদের বিয়েবিচ্ছেদ হয়ে যায়। কিন্তু মুখে তালাক উচ্চারণ করলেই তালাক হয় না। আর ভুলক্রমে একবার যদি তালাক উচ্চারণ হয়েই যায় বিপাকে পড়ে যান আমাদের দেশের দম্পতিরা।

মৌখিক তালাকের মাধ্যমে আমাদের দেশের একটি বিয়ে প্রচলিত আছে, যেটি কিনা হিল্লা বিয়ে। কিন্তু আপনি জানেন কি হিল্লা বিয়ে আইনে বৈধ নয়। এটি সম্পূর্ণ আইনের পরিপন্থী। তাই আইনজীবীরা মনে করে এটি একটি কুসংস্কার মাত্র।

হিল্লা বিয়ে কী?

রাগের মাথায় অনেকে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে থাকেন। কিন্তু পরে রাগ পড়ে যাওয়ার পর বুঝতে পারেন, তাদের ভুল হয়েছে। আসলে তারা বিচ্ছেদ চান না। কিন্তু মৌখিক তিন তালাকেই এমন দম্পতির ‘বিয়েবিচ্ছেদ হয়ে গেছে’ বিশ্বাসে এলাকায় তাদের আবার বিয়ে করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন মুরব্বি ও সমাজপতিরা।

কোনো স্বামী স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর আবার যদি ওই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করতে চান, তবে কুসংস্কার মতে, তালাকে দেয়া স্ত্রীকে আগে অন্য পুরুষের সঙ্গে বিয়ে দিতে হবে। পরে আগের স্বামী যদি রাজি থাকেন, তবে আবার ওই স্ত্রীকে গ্রহণ করতে পারবেন- এটি হল হিল্লা বিয়ে।

তাই হিল্লা বিয়ে নিয়ে বিপাকে পড়ে যান আমাদের দেশের নারীরা। জেনে রাখা ভালো- হিল্লা বিয়ে আইনে বৈধ্য নয়; এটি কুসংস্কার মাত্র।

আসুন জেনে নিই হিল্লা বিয়ে সম্পর্কে মুসলিম ও পারিবারিক আইনে কী বলা আছে।

তালাক কার্যকরের আগে

কোনো স্বামী যদি ভুল করে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে থাকেন। তবে তালাক কার্যকারের আগেই যদি স্ত্রীকে গ্রহণ করতে চান, তবে ক্ষমা চেয়ে চেয়ারম্যানের কাছে একটি আবেদনপত্রই যথেষ্ট। তালাক উচ্চারণের পর তিন মাস ১০ দিনের মধ্যে তালাক কার্যকর হয়।

তালাক কার্যকর

যদি তালাক কার্যকরের পর স্বামী যদি পুনরায় ওই স্ত্রীকে বিয়ে করতে চান, তবে আবার নতুন করে বিয়ে রেজিস্ট্রারি করতে হবে।

হিল্লা বিয়ে বৈধ নয়

মুসলিম পারিবারিক আইনে হিল্লা বিয়ে বলতে কিছু নেই। হিল্লা বিয়ে আইনে বৈধ নয়।

বিয়েতে স্ত্রীর মতামত

তালাক দেয়ার পর যদি স্ত্রী পুনরায় ওই স্বামীর সংসার করতে না চান, তবে বিয়ে বৈধ হবে না। তার ওপরে জোরপূর্বক বিয়ে চাপিয়ে দেয়া যাবে না।

কাবিন নামার ১৮ নম্বর কলাম

দুঃখজনক হলেও সত্য- মুসলিম আইনে স্ত্রীর তালাক দেয়ার কোনো ক্ষমতা নেই। যদি না কাবিননামার ১৮তম কলামে স্ত্রীর তালাক দেয়ার ক্ষমতা দেয়া থাকে। তাই বিয়ে রেজিস্ট্রারির আগে এ বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন নারীরা।

বিয়ে প্রত্যাখ্যান

১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই যদি অভিভাবকের মাধ্যমে বিয়ে দেয়া হয় এবং স্বামী-স্ত্রী সহবাস বা বসবাস না করেন, তা হলে ১৯ বছর বয়স হওয়ার আগেই এ বিয়ে প্রত্যাখ্যান করলে স্ত্রী তালাক দিতে পারবেন।

আরএম-১৯/১৮-০৩ (অনলাইন ডেস্ক, তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট)

Share.