বিশ্বের সবচেয়ে সেক্সি ১০ পর্নস্টার কে আপনি জীবনেও দেখেন নি দেখলেই মাথা ঘুরে যাবে (ভিডিও সহ)

0

বিশ্বের সবচেয়ে সেক্সি ১০ পর্নস্টার কে আপনি জীবনেও দেখেন নি দেখলেই মাথা ঘুরে যাবে (ভিডিও সহ)

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

ভিডিওটি নিচে :

বিশ্বের সবচেয়ে সেক্সি ১০ পর্নস্টার কে আপনি জীবনেও দেখেন নি দেখলেই মাথা ঘুরে যাবে (ভিডিও সহ)

 

বিয়ের পর মেয়েদের নিতম্ব চ্যাপ্টা হয়ে যায় কেন? জেনে নিন

এটা প্রায়শই দেখা যায় যে, মেয়েরা চায় বিয়ের সময়ে তাদের দেখতে ছিপছিপে এবং কমবয়সী লাগুক। এ কারণে তারা বিয়ের কয়েক মাস আগে থেকেই কঠোর ডায়েটে চলে যান। এমনকি দেখা যায়, পরিবারের মানুষ এমনকি তাদের বাগদত্ত পুরুষেরাই তাদেরকে বলেন ওজন কমাতে।

তারা বেশিরভাগই মোটামুটি ২০ পাউন্ড (৯ কেজির) মতো ওজন কমানোর পরিকল্পনা করে ডায়েট শুরু করেন। অনেকের ওজন এই ডায়েটের ফলে কমে গেলেও বেশিরভাগেরই ওজনে তেমন কোনো হেরফের হয় না।

তখন প্রথম ছয় মাসের মাঝেই তাদের ওজন বেড়ে যায় দ্রুত।দেখা যায়, বিয়ের ছয় মাস পর তাদের ওজন বেড়েছে গড়ে ৪.৭ পাউন্ড (২.১ কেজি)। যারা বিয়ের আগে ওজন কমিয়েছিলেন, তাদের ওজন বাড়ার পরিমাণ আরও বেশি, প্রায় ৭.১ পাউন্ড (৩.২ কেজি)। তবে তারা বিয়ের আগে ওজন কমালেও বিয়ের পরে প্রায় ৪.৫ কেজি পর্যন্ত ওজন বেড়ে যায় তাদের।

বিয়ের পরে মেয়েরা মনে করে, সামনে তো আর কোনো বড় উপলক্ষ নেই আর তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের দিকে তাদের তেমন লক্ষ্য থাকে না। তারা খাওয়াদাওয়া এবং ব্যায়ামের ব্যাপারে নিয়মকানুন অনুসরণ বন্ধ করে দেন, যার ফলে ওজন বেড়ে যেতে থাকে। অনেকে আবার মনে করেন, বিয়ের পরে তাদের আকর্ষণীয় ফিগার বজায় রাখার দরকার নেই, এ কারনেও তাদের ওজন এভাবে বাড়তে দেখা যায়।

বিয়ের পর মোটা হয়ে যাওয়া রোধে করণীয়

তবে কেবল মেয়েদের জন্য নয়, নারী-পুরুষ উভয়েই এই টিপস মেনে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ওজন। হানিমুনে গেলে খুব বেশি জাঙ্ক ফুড না খেয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন – পোলাও, বিরিয়ানি না খেয়ে গ্রিল করা চিকেন বা মাছ খেতে পারেন। সাথে খাবেন প্রচুর পরিমানে সালাদ ।

আর মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি খাওয়ার বদলে ফ্রুট সালাদ আর ফলের রস খেতে পারেন। ভ্রমনে গেলে রিচ ফুড এমনিতেও এড়িয়ে চলা উচিত।

ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ভিটামিন বি জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। নতুন পরিবেশে নতুন দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগাবে ভিটামিন বি, বাড়ি খাবারের প্রয়োজন পড়বে না।

বিয়ের পর প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন আত্মীয়ের বাসায় নতুন জুটির দাওয়াত থাকাটাই স্বাভাবিক। আর এতেই ওজন অনেকটা বেড়ে যায়। তাই বলে কোথাও দাওয়াতে গেলে একদমই যে খাবেন না তা কিন্তু নয়, ঘি ও তেল মশলা দেয়া খাবার কম নিয়ে সালাদের পরিমান বাড়িয়ে দিন।

কোমল পানীয়ের বদলে পানি পান করুন

শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মোটা হয়ে যাবার প্রবনতা দেখা দেয়। তাই চা– কফি ও কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়া কমিয়ে দিন। আর রাতে শুতে যাবার আগে এক গ্লাস দুধ খাবার কথা ভুলবেন না, কারন দুধই ক্যালসিয়ামের সব চাইতে বড় উৎস। কষ্ট করে হলেও ব্যাপারটা মেনে চলুন।

বিশ্বের দশ নিষিদ্ধ সিনেমা যা আপনি দেখেন নাই(দেখুন ভিডিওসহ)

১০) ক্লক ওয়ার্ক অরেঞ্জ (১৯৭১)
স্ট্যানলি কুবরিকের এই সিনেমা গ্রেট ব্রিটেনে ২৭ বছর ধরে নিষিদ্ধ ছিল। অত্যধিক মারামারি, পাশবিক ধর্ষণের দৃশ্য থাকায় এই সিনেমাকে কিছুতেই গ্রেট ব্রিটেনে দেখানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। মার্কিন মুলুকে অবশ্য বেশ প্রশংসা কোড়ায় এই সিনেমা।

৯) দ্য বার্থ অফ এ নেশন (১৯১৫)
সাইলেন্ট মুভি। কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের আক্রমণে করা হওয়ায় মুক্তির পর নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। ছবির পরিচালকও পরে স্বীকার করে নেন তার ভুল হয়েছিল।

৮) দ্য টিন ড্রাম (১৯৭৯)
অস্কারে বিদেশি সিনেমা বিভাগে সেরা পুরস্কার জেতে এই সিনেমা। সিনেমায় দেখানো হয় ১১ বছরের এক বালক ১৬ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে সেক্স করছে। এই জন্য কানাডা ও ফিলাডেলফিয়াতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। বলা হয় এই সিনেমা চাইল্ড পর্নগ্রাফি ছাড়া বেশি কিছু নয়। কিন্তু সিনে বিশেষজ্ঞরা এই সিনেমাকে বড় নম্বর দিয়ে বলেছেন, ছবির বিষয়বস্তু ঠিকমত বুঝলে এটা নিষিদ্ধ কোনওভাবেই হওয়া উচিত নয়।

৭) থ্রি ডানড্রেড (২০০৬)
যুদ্ধের ওপর তৈরি হওয়া হলিউডের অন্যতম সেরা এই ছবি নিষিদ্ধ ইরান ও আরবের কিছু দেশে। রাষ্ট্রসংঘের কাছে এই ছবি নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে ইরান বলেছে, থ্রি হানড্রেড তাদের দেশকে অপমান করতে মার্কিনীদের একটা চক্রান্ত।

৬) অল কোয়াইট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট (১৯৩০)
হিটলার এই ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। জার্মানি, ও অস্ট্রিয়ায় ১২ বছর ধরে নিষিদ্ধ ছিল এই সিনেমা। এই ছবি দেখলে নাত্‍সি বাহিনীর অত্যাচারের মুখে পড়তে হত। ছবিটি হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ওপর তৈরি।

সালো/হানড্রেড টোয়েন্টি ডেজ অফ সোডোম (১৯৭৫)
চার দুষ্কৃতি অপহরণ করে শিশু ও মহিলাদের। তারপর তাদের ওপর চলে এমন অত্যাচার যা দেখে গা শিউড়ে ওঠে। পাওলো পাসোলিনির এই সিনেমা ইরান, সিঙ্গাপুর সহ পাঁচটি দেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। শিশুদের ওপর অত্যাচার, ধর্ষণের দৃশ্যগুলি থাকায় বিভিন্ন দেশে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়।

৪) দ্য সিম্পসন মুভি (২০০৭)
গোটা বিশ্ব তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেছে এই কার্টুন সিনেমা। কিন্তু বার্মায় এক অদ্ভুত কারণে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এই সিনেমাকে। বার্মা সরকারের অভিযোগ এই সিনেমায় হলুদ রঙকে প্রচার করা হয়েছে। হলুদ রঙ বার্মা সংস্কৃতির কাছে নাকি অপমাণকর।

৩) ব্যাক টু দ্য ফিউচার ট্রিলজি (১৯৮৫,১৯৮৯,১৯৯০)
টাইম ট্র্যাভেলের ওপর তৈরি হওয়া মজার ছবি। আনন্দের ছবি। কিন্তু চিনে এই ছবি নিষিদ্ধ। কারণ ছবিতে অনেকসময় ভবিষ্যতে যাওয়া হয়েছে। যা নাকি চিনের সরকারের নিয়ম বিরুদ্ধ। একইসঙ্গে ছবিকে কুসংস্কারে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ জানানো হয়েছে। তা ছাড়া নাকি ছবিতে দেখানো হয়েছে বেজিংয়ের থেকেও থাকার ভাল জায়গা রয়েছে, যা সরকার বিরোধী।

২) দ্য লাস্ট ট্যাঙ্গো ইন প্যারিস (১৯৭৩)
সাহসী ছবি। ইরোটিক ড্রামা। একাধিকবার নায়িকার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য দেখানো হয়েছে। ছবিটি ইতালি ও স্পেনে নিষিদ্ধ। সিনেমায় একটি দৃশ্যে দেখানো হচ্ছে নায়ক মার্লোন ব্র্যান্ডো সেক্সের সময় মাখন ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতালি ও স্পেনের পক্ষ থেকে বলা হয় খাবার জিনিসকে এভাবেই দেখানোটা আপত্তিকর।

Share.